স্বৈরাচারের দোষর কে এই বিপ্লব ?

নিজস্ব প্রতিবেদক: (প্রকাশের তারিখ: 19-Mar-2025)

বিপ্লব ছিলেন পুলিশের সোর্স চাদাঁবাজি করতে গিয়ে ৫ বছর আগে এয়ারপোর্ট আনসারের হাতে আটক হন তার ব্যাসিক কোন ব্যবসা বানিজ্য চাকুরী না থকলেও মাসে ব্যয় করেন ১ লক্ষ টাকা বুকিং দিয়ে কাজ শুরু করেছেন ১৬০০ স্কায়ার ফুটের ২টি ফ্লাট যাহার মূল্য প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর, আনাসার অফিস ও জেল খানায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন এই কতিথ নাম ধারী সাংবাদিক নামের চাঁদাবাজ। গত সৈরাচার সরকারের আমলে ‘স্মার্ট মাদক প্রতিরোধ অব বাংলাদেশ’ নামের সংগঠন তৈরী করে বাবা ছেলের সংগঠনে রূপদেয় কোন অনুষ্ঠানে তার ছেলে ছাড়া কোন লোক সাথে আনতে পারেনি। অনুসন্ধানে জানাযায় ২০২১ সালে স্বাধীন বাংলা মাদক বিরোধী কল্যাণ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সংগঠনের অর্থ আত্বসাৎ ও সংগঠনের কাউকে না জানিয়ে আওয়ামীলীগের কাউন্সিলর এমপি থানার সভাপতি সাধারন সম্পাদক সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগে তাকে লাঞ্চিত করে বের করে দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে পুলিশ কমিশনার অফিস ডিসি অফিসে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। যাত্রাবাড়ী থানায় সাধারণ ডায়েরী রুজু করা হয়। বিপ্লব কথায় কথায় নিজেকে মাদক দ্রব্য জেলখানা ও আনসার অধিদপ্তরের লোক পরিচয় দেন। তিনি প্রকাশ্য বলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে চাইলে অনেক কর্মকর্তা কর্মচারীর জীবন উলোট পালট করে দিতে পারি। কারো যদি জেলখানায় কোন সুযোগ সুবিধা লাগে বলেন আমি করে দিব। স্মার্ট মাদক প্রতিরোধ সংগঠনের ব্যানারে খুনি হাসিনাকে খুশি করতে ধানমন্ডি ৩২ শে ফুল, ১৫ই আগষ্টে পথ শিশুদের মাঝে খিচুরি বিতরণ গোপালগঞ্জে শেখ মজিবুর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান সহ স্বৈরাচারদের ঘোষিত সকল কর্মকান্ডে যোগদান করেন। বিগত দিন শত ভাগ সুযোগ সুবিধা নিয়েও ভূল পাল্টে নব্য বিএনপি সেজে নিজেকে বরুড়ার লোক দাবী করেন অথচ তার বাড়ী নড়াইল। অনুসন্ধ্যানে জানাযায় বীগত সরকারের আমলে স্বাধীন বাংলা মাদক বিরোধী কল্যান সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতির বিরুদ্ধে মাদক , জেলখানা ও আনসারের লোক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অধিদপ্তরে বিএনপির ক্যাডার বানিয়ে দরখাস্ত দিয়ে অনেক হয়রানি করছেন। বর্তমানে সেই বিপ্লবই মাদকের এ্যাডিশনাল ডিরেক্টর ও মহাপরিচালক মহোদয়ের কাছের লোক পরিচয়ে নিজেকে জাহির করছেন যা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জন্য বিভ্রতকর। তার বিষয়ে মাদক দব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তার সাথে আলাপ কালে জানা যায় তিনি সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে অধিদপ্তরে অনেককে ব্লাক মেইল করেছে। এক অফিসারের বিরুদ্ধে অন্য অফিসারের কথা বেচা কেনা করে দুরুত্ব তৈরী এবং অনেকের বদলীর তদবির করতে ঘুর ঘুর করেন যাহার বিষয়ে অনেকেই বিব্রত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক কর্মকর্তা তাকে পছন্দ না করলেও অযথা এসে অনেককে বিভ্রান্ত করে । আমরা চাই এই ধরণের বাজে লোক অধিদপ্তরে ঢুকতে না দেওয়া হোক। আমাদের অধিদপ্তরকে আমরা বিপ্লবের মতো দালাল মুক্ত দেখতে চাই আশা করি ডিজি স্যার বিষয়টি আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অভিযুক্ত বিপ্লবের সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন আমি মাদক আনসার ও জেলখানা নিয়ে কাজ করি। আপনাকে কে অনুমতি দিয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন আমার কোন অনুমতি লাগেনা। আপনার ইনকাম সোর্স কি এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন আমি সংগঠন চালাই আমাকে অনেকে অনুদান দেয় আর কিছু টাকা মাদক , জেলাখানা ও আনসার অফিস থেকে পাই। খুনি হাসিনার দোষর ওয়ারী জোনের ডিসি ইকবালের ঘনিষ্ট সহচর ছিলেন এই বিপ্লব । ২০২৪ সালের ছাত্র জনতার আন্দোলনের সময় বিএনপি জামাতের তথ্য পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও গোয়েন্দা সংস্থাকে প্রদান করতেন এই খুনির দোষর বিপ্লব তাই সর্বত্র দাবি উঠেছে তাকে যেন দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়। আর যাতে এই প্রতারক মাদক অধিদপ্তর, আনসার ও জেলাখানার নাম বিক্রি করে ধান্দা বাজি করতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন বলেও সর্বস্তরের মানুষ আশা করেন। চলবে..........

এই বিভাগের আরো খবর